• ৭ ফাল্গুন ১৪৩২, সোমবার ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Daughter

রাজ্য

মন্ত্রীর কন্যার নাম ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও রি-ভেরিফিকেশনের নোটিশ! নতুন করে চাঞ্চল্য

মালদহের মোথাবাড়ির বিধায়ক ও রাজ্যের সেচ ও উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের বড় মেয়ের নামে এসআইআর-এ রি-ভেরিফিকেশনের জন্য নোটিশ ইস্যু করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রী খুবই ক্ষুব্ধ। তাঁর অভিযোগ, এই ধরনের নোটিশ সাধারণ মানুষকেও হয়রানির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।মন্ত্রী জানিয়েছেন, তাঁর বড় মেয়ে ফিজা বিনতে আলম বর্তমানে আমেরিকায় পড়াশোনা করছেন। ইউএসএ-তে প্রায় দুই বছর ধরে তিনি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁর নাম থাকার কথা নয়। ২০২৫ সালের তালিকায় নাম রয়েছে। সম্প্রতি এসআইআর শুরুর পর নিয়ম মেনে ফর্ম পূরণ করেছেন ফিজা। বাবার নাম এবং ভোটার কার্ড সংযুক্ত করেছেন তিনি। তারপরও খসড়া ভোটার তালিকায় তাঁর নাম এসেছে এবং হিয়ারিংয়ের জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছে।মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, এভাবেই বিজেপির প্রভাবেই কমিশন সাধারণ মানুষকে হয়রানি করছে। আমার মেয়ের নাম-ই শুধু নয়, অনেক সাধারণ ভোটার যথেষ্ট নথি দেওয়ার পরও হিয়ারিংয়ে নোটিশ পাচ্ছেন। এভাবে মানুষকে হয়রানি করে রাজ্যের বিধানসভা ভোটে কেউ জয়ী হতে পারবে না।এই ঘটনায় জেলা রাজনীতিতে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। জেলা বিজেপি নির্বাচন কমিশনের পাশে দাঁড়ালেও, তৃণমূল কংগ্রেস প্রকৃত ভোটারদের নাম বাদ না করার দাবিতে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।ফিজা বিনতে আলমের পরিবার সম্পর্কে জানা গেছে, মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের স্বামী মহম্মদ মেহবুব আলম কালিয়াচকের একজন ব্যবসায়ী। তাঁদের দুই মেয়ে রয়েছে, বড় মেয়ে বিদেশে পড়াশোনা করছেন। সাবিনা নিজে মোথাবাড়ি কেন্দ্রের বিধায়ক হলেও কালিয়াচকের চাঁদপুরের বাসিন্দা।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫
রাজ্য

রায়নার বিধায়কের কন্যার নামকরণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী

রায়নার বিধায়ক শম্পা ধারার শিশু কন্যার নামকরণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার বিধানসভাতেই বিধায়ক শম্পা ধারা কন্যা সন্তান নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সামনে হাজির হন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিধায়ক শম্পা ধারার শিশু কন্যার নাম রাখেন ঐশী। আশাপূরণ হওয়ায় শম্পা ধারা বেজায় খুশি। মেয়ের অন্নপ্রাসন অনুষ্ঠানের দিনও নির্দিষ্ট করে ফেলেছেন বিধায়ক। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার জন্য শম্পা ধারা এদিন মুখ্যমন্ত্রী সহ সকল বিধায়ককে নিমন্ত্রণও করেন।শম্পা ধারার কন্যার এখন বয়স মাত্র সাড়ে চার মাস। বাংলার অগ্নিকন্যা তথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অন্তত তাঁর কন্যার নামকরণ করে আশীর্বাদ করুন, এমনটাই স্বপ্ন ছিল রায়নার তৃণমূল বিধায়কের। সেই স্বপ্ন পূরণের লক্ষে নিজের শিশু কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে সোমবার দুপুরে বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর ঘরের সামনে পৌছে যান পূর্ব বর্ধমানের বিধায়ক। মুখ্যমন্ত্রী ঘর থেকে বের হতেই বিধায়ক শম্পা তাঁর কন্যার নামকরণ করার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করেন। নিজের দলের বিধায়কের সেই অনুরোধ ফেরাননি মুখ্যমন্ত্রী।শম্পা ধাড়া জানান, চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি তাঁর কন্যা সন্তানের জন্ম হয়েছে। শম্পা ধারার কথা অনুযায়ী নাম করণ করে দেওয়ার পর তাঁর মেয়ের মাথায় হাত দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আশীর্বাদ করেছেন। এটাই তো তাদের কাছে অনেক বড় পাওয়া। এর জন্য তিনি গর্বিত বোধ করছেন।তাঁর খুব আনন্দও হচ্ছে।

জুন ১৭, ২০২৫
রাজ্য

অসুস্থ মেয়ে দৈব বলে সুস্থ হবে, আশায় মন্দিরে হত্যে দিয়ে পড়ে মা ও কন্যা

চিকিৎসায় মেয়ে সুস্থ না হলেও বিশালাক্ষী রঙ্কিনীদেবী মাতার কৃপাতেই সুস্থ হয়ে উঠবে বিকলাঙ্গ মেয়ে। এমন বিশ্বাসে ভর করে সেই কোজাগরী লক্ষ্মী পূর্ণিমার দিন থেকে অসুস্থ মেয়ে ঋতু মুদিকে সঙ্গে নিয়ে দেবীর মন্দিরে হত্যে দিয়ে পড়ে আছেন মা তাপসী মুদি। তাঁদের এখন ঠিকানাই হয়ে গিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার গোপিকান্তপুর গ্রামে থাকা রঙ্কিনীদেবীর মন্দির। ঘর বাড়ি সব ছেড়ে এসে দিন রাত সেখানে থেকেই মেয়ের সুস্থতার জন্য দেবীর কাছে প্রার্থনা করছেন অসহায় মা। এইসব কিছুকে এলাকার বিজ্ঞান মনস্ক ব্যক্তি ও চিকিৎসকরা টেরা চোখে দেখলেও তাপসীদেবী দাবি করেছেন, তাঁর মেয়ে রঙ্কিনী দেবীর কৃপায় সুস্থ হচ্ছে।জামালপুরের চকদিঘী পঞ্চায়েত এলাকার প্রত্যন্ত গ্রাম গোপিকান্তপুর। এই গ্রামের এক পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে ডাকাতিয়া খাল। সেই খালের পাশেই রয়েছে বিশালাক্ষী রঙ্কিনীদেবী মাতার প্রাচীন মন্দির। বিকলাঙ্গ হয়ে পড়া মেয়ে ঋতুকে সুস্থ করে তুলতে মা তাপসী দেবীও ভরসা রেখেছেন রঙ্কিনীদেবী মাতার উপরেই।গোপিকান্তপুর গ্রামের মুদি পাড়ায় বাড়ি তাপসী দেবীর। তাঁর স্বামী যাদব মুদি পেশায় খেত মজুর। দারিদ্রতাই তাঁদের নিত্যসঙ্গী। তাপসীদেবী জানান, তাঁর মেয়ে ঋতু ছোট থেকে সুস্থই ছিল। পড়াশুনাও করছিল গ্রামের বাণী নিকেতন রঙ্কিনী মহুলা বিদ্যালয়ে। ক্লাস সিক্সে পড়ার সময়েই ঋতুর শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিতে শুরু করে। ওই সময়ে ঋতুর মুখ দিয়ে লালা ঝরা শুরু হয়, কথাও জড়িয়ে যেতে থাকে। এমনকি কমতে শুরু করে দুই হাতের শক্তি ও দুপায়ে দাঁড়ানোর ক্ষমতা। তাপসীদেবী বলেন, তখন থেকেই চিকিৎসার জন্য ঋতুকে কোলে করে নিয়ে আমি ও আমার স্বামী বিভিন্ন জায়গার ডাক্তার বাবুর কাছে যাই। অনেক কষ্ট করে পয়সা জোগাড় করে ডাক্তার বাবুদের লিখে দেওয়া ওষুধ কিনে মেয়েকে খাইয়েছি। মেয়ের অনেক শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করান। এই ভাবে বছরের পর বছর ধৈর্য্য ধরে বর্ধমান হাসপাতাল সহ বিভিন্ন ডাক্তার বাবুর পরামর্শ মেনে সব কিছু করেন। তা করাতে গিয়ে স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের মাধ্যমে চিকিৎসা করানোর সব টাকাও শেষ হয়ে যায়। ছোট বয়স থেকে চিকিৎসা শুরু হওয়া মেয়ের বয়স এখন ১৯ শে পৌঁছেছে। কিন্তু মেয়ে সুস্থ হয় নাই। রোগটার নাম সেরিব্রাল পলসি (সিপি)।তাপসীদেবী বলেন,রঙ্কিনীদেবী মাতা আমায় স্বপ্নে দেখা দেন। দেবী মা আমাকে আদেশ করেন, আমার অসুস্থ মেয়েকে সুস্থ করার জন্য আমায় মেয়েকে নিয়েই মন্দিরে পড়ে থাকতে হবে। তাই রঙ্কিনীদেবীর আদেশ মতই এই বছরের কোজাগরী লক্ষ্মী পূর্ণিমার দিন ঘর বাড়ি সব ছেড়ে অসুস্থ মেয়েকে নিয়ে দেবীর মন্দিরে চলে আসেন। সেই থেকে মন্দির সন্মুখের আটচালায় ঠাঁই নিয়ে দেবীর কাছে শুধুই মেয়ের সুস্থতা কামনায় দিন রাত প্রার্থনা জানিয়ে যাচ্ছেন বলে তাপসীদেবী জানান।এলাকার গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান গৌরসুন্দর মণ্ডল বলেন,দেবীর মাহত্ম্যে অসুস্থ মেয়ে সুস্থ হয়ে ওঠছে কিনা এইসব নিয়ে কোন যুক্তি তক্কে তিনি যেতে চান না। কারণ প্রবাদই আছে ,বিশ্বাসে মিলায় বস্তু- তর্কে বহু দূর। গৌরসুন্দর বাবুও স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তিনিও বিশ্বাস করেন দেবী বিশালাক্ষী রঙ্কিনী মাতার কৃপায় অনেক অসম্ভবই সম্ভব হতে পারে। বিজ্ঞানমঞ্চের সভাপতি চন্দ্রনাথ বন্দোপাধ্যায় বলেন, মঙ্গলে রকেট যাচ্ছে। আর এখনো মানুষ এসব বিশ্বাস করছে। আমরা গ্রামে যাবো।

নভেম্বর ২৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বাড়ি ফিরতেই অল্লু অর্জুনকে ভালোবাসায় ভরালেন তাঁর মেয়ে

ছেলেরা যেমন মায়ের খুব কাছের হয় তেমনি মেয়েরা বেশি ভালোবাসে বাবাকে। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সেলিব্রিটি কারোর জন্যই এটার ব্যতিক্রম হয় না। সেরকমই মেয়ের একটুকরো মুহূর্ত সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করে নিলেন অল্লু অর্জুন।গতবছরের শেষের দিকে ১৭ ডিসেম্বর মুক্তি পেয়েছে পুষ্পা দ্য রাইজ। বক্স অফিসে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৪০০ কোটির ব্যবসা করেছে পুষ্পা। শুধু দেশে নয়, বিদেশের দর্শকরাও ভালোবাসায় ভরিয়েছেন অল্লু-রশ্মিকার জুটিকে।গত ১৬ দিন সিনেমার কাজে দুবাইতে থাকার পর বাড়ি ফিরলেন অল্লু অর্জুন। বাড়ি ফিরতেই জানাল অল্লুর কন্যা আরহা তাঁকে ভালোবাসায় স্বাগত জানাল। ফুলের পাপড়ি সাজিয়ে ক্ষুদে লিখেছে, ওয়েলকাম নানা। সঙ্গে ক্যাপশনে লিখলেন, ১৬ দিন বাইরে থাকার পর যখন ফিরে এলাম, তখন আমাকে এই বিশেষ ভাবে স্বাগত জানানো হয়েছিল।

জানুয়ারি ৩০, ২০২২
রাজ্য

দুই কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়ায় পাশবিক, নিষ্ঠুর নির্যাতনের অভিযোগ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গৃহবধূ

বিয়ের পর থেকে গৃহবধূ যে দুটি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন সেই দুটি সন্তানই কন্যা সন্তান। শুধুমাত্র সেই কারণে গৃহবধূর যৌনাঙ্গে রড, লাঠি ঢুকিয়ে নির্মম পাশবিক অত্যাচার চালানোর অভিযোগ উঠলো স্বামীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই শনিবার সকাল থেকে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে পূর্ব বর্ধমানের কালনার বাঘনাপাড়ার বিজার গ্রামে। ঘটনা নিয়ে এলাকার অন্য মহিলারা প্রতিবাদে সোচ্চার হতেই গা ঢাকা দিয়েছে গৃহবধূর স্বামী তৌফিক শেখ। গুরুতর জখম অবস্থায় গৃহবধূকে উদ্ধার করে এদিনই কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করেছেন বাপের বাড়ির লোকজন। কালনা থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। শুরু হয়েছে অভিযুক্ত নিষ্ঠুর স্বামীর খোঁজ। স্বামীর এমন নিষ্ঠুরতার নিন্দা করেছে আপামর কালনাবাসী। গৃহবধূর বাবা ভোলা শেখ জানিয়েছেন, ২০১৬ সালে তাঁর মেয়ে শরিফার সঙ্গে বিয়ে হয় কালনার বিজারা গ্রামের যুবক তৌফিক শেখের। বিয়ের পর থেকে তাঁর মেয়ে যে দুটি সন্তানের জন্ম দেয় সেই দুটি সন্তানই কন্যা সন্তান। শরিফা পুত্র সন্তানের জন্ম দিতে না পারায় তার উপর বেজায় চটে যায় জামাই তৌফিক। সে অমানুষিক নির্যাতন শুরু করে দেয় তাঁর স্ত্রী শরিফার উপর। কখনও শরিফার যৌনাঙ্গে রড কিংবা লাঠি ঢুকিয়ে দিয়ে,আবার কখনও যৌনাঙ্গের পাশে সিরিশ কাগজ ঘষে দিত তৌফিক। ভোলা শেখ তাঁর অভিযোগে আরও বলেন, এত অত্যাচার চালিয়েও তাঁর জামাইয়ের নিষ্ঠুর স্পৃহা মিটতো না। সে নিজের স্ত্রীর বুকে পর্যন্ত বেপরোয়া ভাবে মারতো। বেশ কয়েক মাস ধরেই তৌফিক এই ভাবে নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছিল তাঁর স্ত্রী শরিফার উপর। এমনকি শরিফাকে ডিভোর্স দিয়ে অন্য মেয়েকে বিয়ে করেবে বলেও তৌফিক জানায়। শরিফা তাঁর স্মামীর এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রতিবাদে সরব হয়। তার জন্য শরিফার উপর নির্যাতনের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেয় তৌফিক। গলায় দড়ির ফাঁস লাগিয়ে ঝুলিয়ে দিয়ে শরিফাকে প্রাণে মারার চেষ্টাও করে জামাই। এই পরিস্থিতিতে একান্ত নিরুপায় হয়ে গৃহবধূ শরিফা তাঁর স্বামীর নির্যাতনের কথা বাপের বাড়িতে জানায়। গৃহবধূর বাবা সহ বাড়ির অন্যরা শনিবার জামাই তৌফিকের বাড়িতে পৌছান। তাঁরা সেখান থেকে জখম অবস্থায় শরিফাকে উদ্ধার করে কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করে। তারই মধ্যে গা ঢাকা দেয় তৌফিক। গৃহবধূ এখন সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদিনই গৃহবধূর বাবার বাড়ির লোকজন মৌখিক ভাবে তৌফিকের বিরুদ্ধে পুলিশকে অভিযোগ জানিয়েছেন। ভোলা শেখ বলেন, লিখত ভাবেও তাঁরা জামাই তৌফিকের নির্যাতনের কথা পুলিশের কাছে জানাবেন।গৃহবধূ জানিয়েছে, তিনি পর পর দুটি কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছ এটাই আমার অপরাধ। সেই কারণে আমার স্বামী নিষ্ঠুর অত্যাচার চালিয়ে গিয়েছে। এমনকি প্রাণে মেরে দেওয়ার চেষ্টাও করেছে। নির্যাতন আর সহ্য করতে না পেরে বাপের বাড়িতে স্বামীর কুকীর্তির কথা জানাতে বাধ্য হন, বলে তিনি জানিয়েছেন।কলনা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক(এসডিপিও )সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন, পুলিশের একটি টিম হাসপাতালে গিয়ে গৃহবধূর সঙ্গে কথা বলেছে। ঘটনার বিষয়ে আরও খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। লিখিত অভিযোগ এখনও গৃহবধূর পরিবারের কেউ থানায় জমা দেননি। অভিযোগ পেলে আইন মাফিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
রাজনীতি

উত্তরপ্রদেশে যাদব পরিবারে বড় ভাঙন! বিজেপিতে যোগ দিলেন মুলায়মের পুত্রবধূ

উত্তরপ্রদেশে নির্বাচনের আগে ক্রমেই চড়ছে রাজনীতির পারদ। এক দিকে যখন বিজেপি ছেড়ে একাধিক বিধায়ক যোগ দিয়েছেন সমাজবাদী পার্টিতে। তখন বড়সড় ভাঙন খাস যাদব পরিবারে। বিজেপিতে যোগ দিলেন মুলায়ম সিং যাদবের পুত্রবধূ তথা অখিলেশ যাদবের ভ্রাতৃবধূ অপর্ণা যাদব। বুধবার দিল্লিতে বিজেপির সদর দপ্তরে উত্তরপ্রদেশের উপ মুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য ও বিজেপির রাজ্য সভাপতি স্বতন্ত্র দেব সিং-এর উপস্থিতিতে বিজেপিতে যোগ দেন অপর্ণা।২০১৭ বিধানসভা নির্বাচনে সপার টিকিটে লখনউ ক্যান্টনমেন্ট থেকে লড়েছিলেন তিনি। তবে কংগ্রেসের রীতা বহুগুনা জোশীর কাছে হেরে যান তিনি। রীতা বহুগুনা জোশীও অবশ্য পরে যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। বিজেপিতে যোগ দিয়ে অপর্ণা যাদব বলেন, আমি বিজেপির কাছে কৃতজ্ঞ। দেশ আমার কাছে সবসময় আগে। আর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যে কোনও কাজই প্রশংসার যোগ্য। তিনি উল্লেখ করেন, স্বচ্ছ ভারতের মতো বিজেপির বিভিন্ন উদ্যোগ বরাবরই তাঁর পছন্দের।Smt. @aparnabisht7 joins BJP in presence of senior party leaders in New Delhi. #JoinBJP https://t.co/D888PAuwye BJP (@BJP4India) January 19, 2022মুলায়ম সিং ও তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী সাধনা গুপ্তার সন্তান প্রতীকের স্ত্রী অপর্ণা। যোগী আদিত্যনাথের মতো ঠাকুর-বিস্ত পরিবার থেকে এসেছেন অপর্ণা। শুধু রাজনীতিক নন, তিনি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতেও পারদর্শী, পড়াশোনা করেছেন বিদেশ থেকে। অপর্ণার পশুপ্রেমের কথাও অনেকেরই জানা। গোশালাও পরিচালনা করেন তিনি। এ ছাড়া মহিলাদের নিরাপত্তার জন্যও কাজ করেন।লখনউয়ের সিটি মন্টেশরি স্কুল থেকে পড়াশোনা করেছেন অপর্ণা। পরে ইউকে-র ম্যাঞ্চেস্টার ইউনিভার্সিটি থেকে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও রাজনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। পাশাপাশি একজন দক্ষ শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী অপর্ণা। বি অ্যাওয়ার নামে একটি এনজিও চালান অপর্ণা যাদব। সেখানে মূলত বন্য প্রাণী বা গবাদিপশুদের নিয়ে কাজ হয়। পাশাপাশি, মহিলাদের সুরক্ষা নিয়েও কাজ করেন তিনি। মহিলাদের বিরুদ্ধে হওয়া অপরাধে যাতে সঠিক বিচার হয়, সে বিষয়ে গুরুত্ব দেন। অপর্ণার স্বামী প্রতীক রাজনীতি নিয়ে কোনও দিনই উৎসাহী নন। মুলায়ম সিং যাদবের ছেলে হয়েও কখনও সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেননি। তবে, ২০১৭-তে বিধানসভা নির্বাচনে সপার টিকিটে লড়েছিলেন অপর্ণা। তখনই তাঁর সক্রিয় রাজনীতিতে পদার্পণ।

জানুয়ারি ১৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Srijit Mukherjee : কোভিড আক্রান্ত সৃজিত কন্যা

পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের পর এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন তাঁর কন্যা। রাফিয়ার রশিদ মিথিলার মেয়ে আয়রা তাহরিম খান কোভিড পজিটিভ। বৃহস্পতিবারই করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর জানালেন মিথিলা। তবে মিথিলা পুরোপুরি সুস্থ রয়েছেন।সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের স্ত্রী মিথিলা জানিয়েছেন,দুজনই এখন আগের চেয়ে ভালো আছেন। তারা যাতে দ্রুত সুস্থতা লাভ করে সেজন্য সবাই দোয়া করবেন।টলিউডে পরপর তারকারা করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। রোজই কারোর না কারোর কোভিড পজিটিভের খবর প্রকাশ্যে আসছে। এবার সৃজিত ও মিথিলার মেয়ে কোভিড পজিটিভ হলেন।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Daughter : কন্যাসন্তানের মা-বাবা হলেন তিশা-মোস্তাফা

তিশা ও ফারুকীর জীবনে খুশির খবর।কন্যাসন্তানের মাবাবা হলেন অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা ও পরিচালক মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। ঢাকার একটি হাসপাতালে কন্যাসন্তানের জন্ম দেন তিশা। তিনি জানিয়েছেন, মা মেয়ে দুজনেই সুস্থ আছেন। মেয়ের নাম রাখা হয়েছে ইলহাম নুসরাত ফারুকী।তিশা এর আগে বলেছিলেন, মা হওয়ার আগের এই সময়টা অসাধারণ কাটছে। এটা তাঁদের জীবনের নতুন একটা অধ্যায় উল্লেখ করে তিশা বলেন, নতুন পরিচয়ে পরিচিত হতে যাচ্ছি। এক জীবনে কত নাটকে মা সেজেছি, এখন বাস্তব জীবনে তা ফিল করছি। পুরো জার্নিটা আসলে ভাষায় বিশ্লেষণ করতে পারব না। এটা এমন একটা জার্নি, এককথায় ওয়ান্ডারফুল। নতুন পরিচয় আসছে আমার জীবনে। যে পরিচয়টা আমি বেশ এনজয় করছি।ভালোবেসে ২০১০ সালে গাঁটছড়া বাঁধেন নুসরাত ইমরোজ তিশা ও মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।দুজনেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এই সুখবরটা জানানোর পর থেকে অনেক শুভেচ্ছাবার্তা পাচ্ছেন। টলিউডের পরিচালক মেঘদূত রুদ্র, অভিনেতা সন্দীপ ভট্টাচার্য, অভিনেত্রী অমৃতা চট্টোপাধ্যায়, পায়েল মুখারজি থেকে শুরু করে বাংলাদেশের অনেক তারকা কন্যাসন্তানের মাবাবাকে অনেক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Sreelekha Mitra : মেয়ের জন্মদিনে স্মৃতিতে ভাসলেন শ্রীলেখা

অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রর জীবনের আজকের দিনটা স্মরণীয় দিন। ১৬ বছরে পা দিল টলি অভিনেত্রীর মেয়ে ঐশী। এই বিশেষ দিনে মেয়ের সঙ্গে একাধিক ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করেছেন তিনি।মায়ের সঙ্গে হাসিখুশি মুডে দেখা যাচ্ছে তার মেয়ে ঐশী কে। একটা ছবিতে দেখা যাচ্ছে তার ছবি তুলে দিয়েছে তার বাবা। শ্রীলেখার এই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হওয়ার পর অনেকেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। একজন লিখেছেন অনেক শুভকামনা ও আশীর্বাদ। একজন লিখেছেন হ্যাপি বার্থডে লিটল ওয়ান। আর একজনের পোস্টে লেখা অনেক আদর করে দিলাম ভাইরাসকে।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ২০১৩ সালে শিলাদিত্য সান্যালের সঙ্গে ডিভোর্স হয়ে যাওয়ার পর মেয়েকে একাই মানুষ করছেন শ্রীলেখা। ঐশী এবার বোর্ডের পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর মধ্যেই চলে এল তার লাইফে বিশেষ দিন।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
নিবন্ধ

Daughter: কন্যা রুপেন সংস্থিতা

নীল আকাশের মহাসাগরে যখন সাদা মেঘের ভেলা ভাসিয়ে দিত কেউ, শরৎ তার অরুণ আলোর অঞ্জলি দিয়ে ধানের খেতে রৌদ্রছায়ায় খেলতো লুকোচুরির খেলা, শিউলিবনের বুক উঠতো চঞ্চল হয়ে--- তখনই একদিন খবরকাগজে পাতাজোড়া পুজোয় চাই নতুন জুতো, আর শারদীয়া আনন্দমেলার আনকোরা নতুন বিজ্ঞাপনে প্রফেসর শঙ্কু বয়ে আনতেন দেবীপক্ষের প্রথম আলোর চরণধ্বনি।সেই মোলায়েম পূজো পূজো গন্ধ বাড়তে বাড়তে একসময় ম ম করতো চরাচর। স্কুল ঝাঁপ ফেললেই জলপাইগুড়ির বন্ধুমহল, সেজে ওঠা পাড়ার মন্ডপ, নিতাই পালের আস্তানায় অপরূপা মৃণ্ময়ী মাতৃপ্রতিমাদের ফেলে রেখে-- পর্যায়ক্রমে ট্রেন-বাস-গোযান বাহিত হয়ে, পঞ্চমী কি ষষ্ঠীর সন্ধ্যায় পৌঁছে যেতাম বর্ধমান থেকে গোটা তিরিশ কি.মি. দূরে নারায়ণপুর গ্রামে।আরও পড়ুনঃ শারদঅর্ঘ্যপরের চারদিন কোথা দিয়ে যে কেটে যেত আরতি-অঞ্জলি-পূজো-প্রসাদের পৌনঃপুনিকতায়! গ্রামের গুটিকয় বন্ধুর সাথে সেরে ফেলতাম ফেলে আসা বারো মাসের সালতামামি; আর এই সব করতে করতেই কোথা দিয়ে পূজো শেষ। ঢাকিরা বোল তুলত -- ঠাকুর থাকবি কতক্ষণ ঠাকুর যাবি বিসর্জন! দশমীর নিশুতি রাতে বিসর্জনের পর বুকটা সত্যি খাঁ খাঁ করতো অজয় নদের শূণ্য চরের মতো, খেতে বসে বার বার ঢোঁক গিলে সামলে নিতাম উপচে আসা চোখের জল।বড় হয়ে পূজো শেষের এই মনখারাপটা কেটে গেল। মনকে সহজেই বোঝাতে পারতাম-- মা তো যাননি কোথাও; আছেন তো সারাক্ষণ আমার পাশেই!তুমি যে চেয়ে আছো আকাশ ভরে,নিশিদিন অনিমেষে দেখছো মোরে...চলমান জীবনের প্রতি পলে আজ অনুভব করি তাঁর কল্যাণময়ী স্পর্শ। মণ্ডপের মৃণ্ময়ী মাতৃমূর্তি চিন্ময়ীরূপে অনুক্ষণ আচ্ছন্ন করে রাখেন চেতন ও মনন।আরও পড়ুনঃ বাজলো তোমার আলোর বেণুপূজো আসে, পূজো যায়..... ২০০২ -এ তিস্তা এলো আমাদের ঘরে। তার পৃথিবীর আলো দেখার আগে নানা জটিলতার জন্য চারবার আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে হয়েছিল রূপার; কিন্তু আগেভাগে অনাগত সন্তানের লিঙ্গ জেনে ফেলতে ব্যাকুল হইনি আমরা কেউই। মেয়ের মুখ প্রথম দেখার শুভক্ষণটি মনে হয়েছিল জীবনের সেরা মুহূর্ত, যে স্বাদের ভাগ হবে না কোন দিনও!পূজোমন্ডপ হরগৌরীতলায় হামাগুড়ি দিয়ে... হোমের কৃষ্ণতিলক হাতের তেলো দিয়ে কপালময় লেপে নিয়ে... বাবার কাঁধে চড়ে বিসর্জনের শোভাযাত্রায় সামিল হয়ে... ঢাকের গায়ে ছোট্ট হাতের এলোমেলো চাঁটি মেরে... নবমীর দুপুরে হোমাগ্নির ধোঁয়ায় চোখ কচলে লাল করে... ভোরের শিউলি বিছানো গাছতলায় ফুল কুড়িয়ে মালা গেঁথে, একটু একটু করে পাপড়ি মেললো আমার ছোট্ট তিস্তা।আরও পড়ুনঃ তোমাদের মনের মতো রঙীন পূজাবার্ষিকী-- আনন্দমেলাসন্ধ্যারতির সময়, ঢাক-কাঁসর-ঘণ্টা-সানাই-র ঐকতানে, ফুলের মালা-দীপের আলো-ধুপের ধোঁয়ার প্রেক্ষাপটে, আত্মজার মধ্যে যেন আজ ফুটে উঠতে দেখি জগন্মাতার অগ্নিময়ী রূপকল্পেরই এক প্রোজ্জ্বল খন্ডাংশ। মনে হয় মা উমা যেন ঘরের মেয়েটি হয়ে খেলে বেড়াচ্ছেন আমাদের ছোট্ট ঘরে। শরনাগতদীনার্তপরিত্রাণপরায়ণা সর্বস্যার্তিহরা দেবী নারায়ণী যেন ভালবাসার টানে আলো করছেন আমাদের আতুর আঙিনা.... তাই তোমার আনন্দ আমারপর, তুমি তাই এসেছ নীচে....আরও পড়ুনঃ পুজো শুরু হয়ে গেলঅবাক হয়ে দেখি, কাকতালীয়ই হবে নিশ্চয়, আমার স্কুল-কলেজ-কর্মস্থলের বেশীর ভাগ সমবয়সী বন্ধুরই ঘর আলো করছে এক একটি কন্যাসন্তান। তাদের মেয়েবেলার উজ্জ্বল সংকেত ভেসে আসে আন্তর্জালে। এদের সব্বার মধ্যে জ্যোতির্ময়ী মহামায়ার পরমা শক্তির উদ্বোধন হোক, মেধা-প্রতিভা-সাফল্যের পবিত্র হুতাশনে পূব আকাশ উঠুক রাঙা হয়ে!লেখকঃ ডঃ সুজন সরকারবর্ধমান।

অক্টোবর ১৬, ২০২১
রাজ্য

Poison: মুখে বিষ ঢেলে সৎ মাকে খুনের দায়ে গ্রেপ্তার ছেলে ও বৌমা

মারধরের পর মুখে বিষাক্ত কিছু ঢেলে দিয়ে সৎ মাকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল ছেলে ও বৌমা। মাতৃ হত্যার এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার কালাড়াঘাট গ্রামে। পেশায় আশা কর্মী মা মণিকা বোস (৪৫)কে খুনের অভিযোগে ধৃতরা হল ছেলে সুভাষ বোস ওরফে বাবাই ও বৌমা আল্পনা বোস। মৃত ও ধৃত সকলেরই বাড়ি কালাড়াঘাট গ্রামে। মঙ্গলবার বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ মর্গে মৃতার দেহের ময়না তদন্ত হয়। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি করেছেন মৃতার বাবা কাশিনাথ নন্দী ও তাঁর পরিজনরা।আরও পড়ুনঃ ১০০ পুরসভায় বড়সড় রদবদলমৃতা আশা কর্মী মণিকা বোসের বাপের বাড়ি জামালপুর থানা সন্নিকটে হাওয়াখানা পাড় এলাকায়। মণিকাদেবীর বাবা কাশীনাথ বাবু এদিন জানান, কালাড়াঘাট নিবাসী দিলীপ বোসের স্ত্রী পুত্রসন্তান সুভাষকে জন্ম দেওয়ার কয়েক বছর বাদ মারা যান। এরপর সংসার সামলানো ও নাবালক সন্তান সুভাষকে প্রতিপালনের জন্য ব্যবসায়ী দিলীপ বোস পুনর্বিবাহের মনস্থির করেন। বছর ১৬ আগে তাঁর মেয়ে মণিকার সঙ্গে বিয়ে হয় দিলীপ বোসের। মণিকা নিজে নিঃসন্তান থেকে গিয়ে সুভাষকে পুত্র স্নেহে বড় করে তেলেন। বছর ১০-১১ আগে দিলীপ ঘোষ মারা যান। তারপরেও সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। সংসারে অশান্তি তৈরি হয় সুভার তাঁর সৎ মা মণিকা দেবীর মতামতকে কোন গুরুত্ব না দিয়ে নিছের ইচ্ছায় ছয় মাস আগে বর্ধমানের বড়শুলের তরুণী আল্পনাকে বিয়ে করার পর থেকে। এই বিয়ে মেনে নিতে না পেরে মণীকাদেবী কালাড়াঘাটের একই বাড়িতে আলাদা থাকছিলেন।আরও পড়ুনঃ সুপার ড্যান্স শো তে ফিরলেন শিল্পাকাশীনাথ বাবু বলেন, সোমবার বিকালে সুভাষ তাঁকে ফোন করে জানায়, মা (মণীকা) কেমন করছে। এমনটা শুনেই তিনি মেয়ের বাড়িতে ছুটে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন বাড়ির মেঝেতে মণিকা ছটফট করছে। মেয়ে মণিকার শরীরে আঘাতের দাগও দেখতে পান। কাশীনাথবাবু জানান, শারীরিক ওই কষ্টের মধ্যেই মেয়ে মণিকা তাঁকে জানায় মারধোরের পর তাঁর মুখে বিষ জাতীয় কিছু ঢেলে দিয়েছে ছেলে সুভাষ ও তাঁর বৌ আল্পনা। এমনটা শোনার পরেই পরিবারের লোকজন মণিকাদেবীকে দ্রুত জামালপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মণিকাদেবীকে মৃত বলে জানান।আরও পড়ুনঃ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয় ভারতেরএই ঘটনা সবিস্তার উল্লেখ করে সোমবার রাতেই কাশীনাথ নন্দী জামালপুর থানায় সুভাষ ও তাঁর স্ত্রী আল্পনার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। এসডিপিও আমিনুল ইসলাম খা জানিয়েছেন, দায়ের হওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে সুভাস বোস ও তাঁর স্ত্রী আল্পনার বিরুদ্ধে খুনের মামালা রুজু হয়েছে। এদিন তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃত দুজনকেই বুধবার পেশ করা হবে বর্ধমান আদালতে।

আগস্ট ১৭, ২০২১
নিবন্ধ

Blood Relation: রক্তের টান - অন্তিম পর্ব

আমরা তখন ইউনিভার্সিটির ছাত্র। মাষ্টার্স করছি। আমি আর দীপ্ত স্কুল থেকে একসাথে পড়ি। কলেজ আর ইউনিভার্সিটিতে ও এক সাথেই থাকি। দীপ্ত খুব ভালো গান করে বরাবর। ইউনিভার্সিটির একটা কম্পিটিশনে যুগ্ম প্রথম হয় ফিজিক্সের দীপ্ত সেন আর ইংরাজীর মধুছন্দা ব্যানার্জী।তারপর ওদের মধ্যে বন্ধুত্ব হয়। ধীরে ধীরে সেই বন্ধুত্ব ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে পরিনত হয়।মধুর বাড়ি শিলিগুড়ি। ওর বাবা ওখানকার সুপ্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। তার উপর ওরা ব্রাহ্মণ। ওদের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা বন্ধুরা খুব চিন্তিত ছিলাম। মধু বড়লোকের মেয়ে ওর কাছে এটা ছেলে খেলা এরকম অনেক কিছু আমরা ভাবতাম। মাস্টার্স কমপ্লিট করে দীপ্ত পিএইচডি করার প্রস্তুতি নিতে থাকে। মধুও মাস্টার্স শেষ করে শিলিগুড়ি গিয়ে একটি স্কুলে চাকরি পায়। এরমধ্যে দীপ্ত পিএইচডিতে যোগ দেয়। কিন্তু মধুর বাবা ওর বিয়ে ঠিক করেন। তখনই সমস্যা শুরু হয়। মধু ওর মা, বাবাকে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করে। কিন্তু ওর মা বুঝলেও বাবা বোঝে না।অগত্যা মধু পালিয়ে চলে আসে দীপ্তর কাছে। আমরা বন্ধুরা তখন বুঝতে পারি মধুর ভালোবাসা কত গভীর। ওরা বিয়ে করে। তখন দীপ্ত কয়েকটি টিউশন পড়ায় মাত্র, আর স্কলারশিপের কটা টাকা।আমার বাড়ি যেহেতু এখানে আর আমার বাবারও কিছু নামডাক ছিল তাই বাবাকে বলে একটা স্কুলে মধুর একটা চাকরির ব্যবস্থা করে দিই।বেশ আনন্দের মধ্যে দিয়ে কাটতে থাকে ওদের জীবন। স্বাচ্ছন্দ্য স্বচ্ছলতা না থাকলেও আনন্দ ছিল।অনিমেষবাবুর সাথে কথা বলার পর মেহুলের মনের মধ্যে তোলপাড় চলে। কি করবে ও এখন? কিভাবে দুটো বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া মানুষকে সামনাসামনি আনবে? যখন আবার একটা মানুষ অসুস্থ। বলা যায় এটা ওই মানুষটার শেষ ইচ্ছা। এইসব ভাবতে ভাবতে বাড়ি ফেরে।ওকে দেখে মাধুরীদেবী মানে ওর দিয়া বলে ওঠে কি ব্যাপার দিদি ভাই আজ এত দেরি কেন? কোথায় গিয়েছিলে? তোমাকে এত গম্ভীর দেখাচ্ছে কেন?বলছি সব বলছি। আগে ফ্রেশ হয়ে আসি। তোমার সঙ্গে আজ অনেক কথা আছে। আলোচনাও আছে অনেক। বলে মেহুল বাথরুমে ঢুকে পড়ে।মাধুরীদেবী ভাবেন কি বলবে মেহুল!একটু পরেই মেহুল বেরিয়ে এসে মাধুরী দেবীকে নিয়ে নিজের ঘরে এসে বসে।শোনো দিয়া আজ আমি যা যা জানতে চাইব সব আমাকে বলবে। কোনও কিছু আমার কাছে লুকিয়ে রাখবে না। অনেক দেরি হলেও একটা চেষ্টা আমাকে করতেই হবে।কি বলছিস আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না।বুঝতে পারবে বললে বুঝতে পারবে।সেদিন আমি যখন তোমাকে জিজ্ঞাসা করলাম সৌরীশ সেন নামে কাউকে চেনো কিনা? তুমি চমকে উঠেছিলে আমি সেটা লক্ষ্য করেছি। তার মানে তুমি চেনো।হ্যাঁ না মানে হ্যাঁ চিনি।এবার আমি যা বলছি দেখো সব ঠিক বলছি কিনা?অবাক চোখে তাকায় মাধুরীদেবী মেহুলের দিকে।মেহুল একে একে সব বলে যা শুনেছে অনিমেষ বাবুরকাছে। এবার বলো মা কে কি তোমরা আবার বিয়ে দিতে পেরেছিলে?না না কোলকাতা থেকে ফিরে গিয়ে তোর মা খুব অসুস্থ হয়ে পড়ে। তখন আমাদের ফ্যামিলি ডাক্তার তোর আসার খবর শোনায়। এও বলেন যে তোর মাকে খুব সাবধান থাকতে হবে। শরীরের অবস্থা খুব খারাপ কোনওরকম উত্তেজনা চলবে না। তাই আমরা আর তোর বাবাকে খবর দিতে পারিনি। আর তোর দারুণ চায়নি মাও না। মাধুরীদেবী বলেন আমি জানতাম কোথাও একটা মস্ত ভুল হচ্ছে। বারবার বলেছিলাম মেয়েটাকে দীপ্তকে একবার বলার সূযোগ দিতে।না মেয়ে শুনলে না মেয়ের বাবা। এখন আমি কি করি?? বলে কপাল চাপড়াতে লাগলেন। মাঝখানে তুই কত কষ্ট ভোগ করলি। পারবে ওরা এখন তোকে সেসব ফিরিয়ে দিতে?সেসব এখন ছাড়ো। এখন যেটা করতে হবে মা কে আনতে হবে কলকাতায়। একমাত্র আমার শরীর খারাপ শুনলেই আসবে।তুমি ফোন করে বলো আমার খুব জ্বর। কিছুতেই জ্বর ছাড়ছে না।সেরকমই করলেন মাধুরীদেবী। মধুছন্দাকে ফোন করে বলেন মেহুলের খুব জ্বর।সেকথা শুনে পরদিনই ফ্লাইট ধরে মধুছন্দা চলে আসে। মেহুল একটু নাটক করে শরীর খারাপের।বিকেলে প্ল্যান অনুযায়ী অনিমেষবাবু মেহুলকে দেখতে আসে।অনিমেষ বাবুকে দেখে মধুছন্দা একটু ঘাবড়ে যায়। মেহুল পরিচয় করাতে গেলে অনিমেষ বলেন ওনারা পূ্র্ব পরিচিত। মধুছন্দা এড়িয়ে যেতে চান কিন্তু অনিমেষ বাবু চেপে ধরেন। এবং বলেন সৌরীশ অর্থাৎ দীপ্ত খুব অসুস্থ। প্রথমে শুনতে চায় না তখন মেহুল জোর করে।বলে মা ভুল বুঝে আর কত কষ্ট দেবে মানুষটাকে আর তুমি আমি সবাই কেন আর কষ্ট পাব। একবার বলার সূযোগ তো দিতে হবে।মধুছন্দা বলে তুমি ছোটো যা জানো না তা নিয়ে বড়দের মাঝে কথা বলো না।মেহুল কিন্তু থামে না বলে আর আমি ছোট নেই। আর আমি এখন পুরোটাই জানি। আমার মনে হয় তোমারও জানা উচিত। যে মানুষটা জীবনের শেষ পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে সে কখনও মিথ্যা বলবে না।মধুছন্দা বলে মানে? কে জীবনের শেষ পর্যায়ে?অনিমেষ বাবু বলেন দীপ্ত; ওর ব্রেইনে একটা টিউমার হয়েছে অপারেশন করতে হবে। তাতে ও নাও বাঁচতে পারে। তাই আমাদের সবার অনুরোধ তুমি একবার সত্যিটা শোনো।তারপর সব শোনে মধুছন্দা।মেহুল বলে আমি তো স্যারের ঘরে তোমার অতো বড় একটা ছবি দেখে অবাক হয়ে গেছিলাম। তারপর আঙ্কেল আমাকে সব বলেন।মধুছন্দা অঝোরে কাঁদতে থাকে। বলে সে কি আমাকে ক্ষমা করতে পারবে?অনিমেষ বলেন সব হবে তুমি চলো আমাদের সাথে।সবাই মিলে চলে সৌরীশ সেনের বাড়িতে। অনিমেষ বাবু মল্লিকাকেও ডেকে নেন।অনিমেষ বাবুর সাথে মধুছন্দাকে দেখে অবাক হয়ে যান সৌরীশ।মধু মেহুলকে এগিয়ে দিল ; তোমার মেয়ে, আমি এতদিন আগলে রেখে ছিলাম এবার তুমি সামলে রাখবে। তাড়াতাড়ি তোমাকে সুস্থ হতে হবে। বলে মধুছন্দা কাঁদতে থাকে। মল্লিকা এর মধ্যে খাবার দাবার নিয়ে হাজির। মধুছন্দা মল্লিকার কাছেও ক্ষমা চায়।মল্লিকা বলে, না বৌদি আমার কাছে নয় তুমি দাদার কাছে ক্ষমা চেয়েছ ওতেই হবে। দুঃখ শুধু একটাই ভুল বুঝে তুমি মেয়েটাকে বাবার থেকে দূরে রাখলে। যাক পুরনো সব ভুলে আবার নতুন করে শুরু করো। দাদা তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠুক আর আমার কিছু চাই না।অপরাধ বোধে ভুগতাম তোমাদের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার জন্য নিজেকে দায়ী মনে হত। আজ এতদিন পরে আবার সব ঠিক হল। এবার সবাই একটু মিষ্টি মুখ করো। মল্লিকা প্লেটের মধ্যে মিষ্টি নিয়ে সবাইকে দেয়।মেহুল গিয়ে বাবার পাশে বসে। সৌরীশবাবু ওকে বুকের মধ্যে টেনে নেন।অনিমেষ বাবু বলেন, দীপ্ত একেই বলে রক্তের টান।-সমাপ্ত- লেখিকাঃ রাখি রায়আরও পড়ুনঃ রক্তের টান - প্রথম পর্বআরও পড়ুনঃ রক্তের টান - দ্বিতীয় পর্বআরও পড়ুনঃ রক্তের টান - তৃতীয় পর্ব

আগস্ট ১৫, ২০২১
নিবন্ধ

Blood Relation: রক্তের টান - তৃতীয় পর্ব

হ্যালো, আঙ্কেল আমি মেহুল বলছি। ...... হ্যাঁ, ঠিক চিনেছেন। ........ হ্যাঁ আমি যাই তো। আপনার সঙ্গে দেখা হয়নি। আমি তো কলেজ থেকে যাই। .........বলছিলাম আপনার সাথে খুব জরুরি একটা দরকার আছে। একদিন দেখা করতে চাই। ......... আপনার সুবিধা মত বলুন আমি ঠিক হাজির হয়ে যাব। ......... ঠিক আছে আঙ্কেল তাহলে কাল দেখা হচ্ছে। এখন রাখি। এই বলে মেহুল ফোন রেখে দিলে। পরের দিন ঠিক সময়ে অনিমেষ বাবু আর মেহুল হাজির নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট জায়গায়। বসো, কি খাবে বলো? কিছু না। একটু কফি। আচ্ছা তাহলে কোল্ড কফি হয়ে যাক। বললেন অনিমেষ বাবুতাই হোক। দুটো কোল্ড কফি অর্ডার দিয়ে জমিয়ে বসলেন। বলো তো মা কি দরকার এই বুড়োটাকে? ঠিক বুঝতে পারছি না কিভাবে কথাটা বলবো? কোনো দ্বিধা না করে বলো। আমার মনেও একটা কৌতূহল জেগেছে তোমার কৌতূহলের সাথে মিলে যেতেও পারে। তাই বলছি বলে ফেলো, কোনও সংকোচ করো না। স্যারের বাড়িতে যাওয়ার পর থেকেই এই প্রশ্নগুলো জেগেছে। কিন্তু স্যারকে জিজ্ঞাসা করতে পারছি না। আর যাকে জিজ্ঞাসা করতে পারি সে তো কাছে থাকে না, তাই ভাবলাম আপনি তো স্যারের খুব কাছের বন্ধু তাই ভাবলাম আপনার কাছেই জানতে পারব। বেশ বেশ বলো না কি জানতে চাও। বলছি স্যারের তো নিজের বলতে কেউ নেই শুনছি, তবে ওনার ঘরে ওই ছবিটি কার? আপনি কি চেনেন ছবির ওই ভদ্র মহিলা কে? অনিমেষ বাবু মেহুলের প্রশ্নে একটু যেন চমকে গেলেন; সাথে সাথে নিজেকে ঠিক করে নিয়ে বলেন আমার মনে যে কথাটি এসেছে তার সাথে তোমার প্রশ্ন রিলেটেড। মেহুল এবার চমকে যায়, মানে? আমার প্রশ্ন হলো তুমি কে? কি তোমার পরিচয়? আর তোমার এই কৌতূহল কেন? তুমি কি চেন? কাকে চেনার কথা বলছেন? ছবির সঙ্গে তোমার মিল আমি সেদিনই খেয়াল করেছি যেদিন হাসপাতালে তোমাকে দেখি। বলতে পারো চমকে গেছিলাম তোমাকে দেখে। তারপর ভাবলাম মানুষে মানুষে তো মিল হয়। তাই চুপ করে ছিলাম। আজ তোমার কথায় আবার সেটা ফিরে এল। বলো চেনো ছবির ওই ভদ্রমহিলাকে? চুপ করে থেকো না বলো!! মেহুল বলে----- হ্যাঁ চিনি। কে হন উনি? আ আ-- মার মা----ঠিক আন্দাজ করেছিলাম আমি। বলেন অনিমেষ বাবু। আপনি আমার মাকে চেনেন? হ্যাঁ খুব চিনি। তা তিনি এখন কোথায়? শিলিগুড়িতে? নাকি অন্য কোথাও? মা সাউথের একটা স্কুলে পড়ায়। আমি দাদু দিদার কাছে বড়ো হয়েছি। মা ছুটিতে আমাদের কাছে আসে। অনিমেষ বাবু এবার জিজ্ঞাসা করেন তোমার বাবা? মেহুলের মুখটা কালো হয়ে যায়। বলতে থাকে, আমি জানি না কে আমার বাবা। কারণ সব জায়গায় মায়ের নাম দেওয়া আছে। যেখানে বাবার নাম দরকার হয়েছে শুধু লেখা আছে ডি. সেন। এর বেশি আমি কিছু জানি না। খুব ছোট বেলায় একবার মাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম বাবার কথা। মা খুব কেঁদে ছিল আর বলেছিলেন বাবা হারিয়ে গেছে। তারপর থেকে কোনও দিন কাউকে আর জিজ্ঞাসা করতে পারিনি। স্যারের ঘরে মায়ের ছবি দেখে মনের কোণে তাই এত প্রশ্ন।এখানে কোথায় থাক? কার কাছে?আমি আর আমার দিদা ইউনিভার্সিটির কাছে একটা ভাড়া বাড়িতে থাকি।এবার আঙ্কেল আপনি বলুন আমার মায়ের ছবি স্যারের ঘরে কেন?সেটা জানতে গেলে তোমাকে একটা গল্প শুনতে হবে। অত সময় আছে তো তোমার কাছে?হ্যাঁ আমার কাছে সময় আছে। শুধু একবার বলে দিই দেরি হবে ফিরতে।বলে মেহুল ওর দিকে ফোন করে বলে দেয়। এবার আপনার গল্প শুরু করে দিন।অনিমেষ বাবু বলেন এবার কিছু অর্ডার না করলে এরা তুলে দেবে। তাছাড়া খিদেও পেয়েছে কি বলো?মেহুল ওনার কথা শুনে হেসে ফেলে। বলে তাহলে এদের চিকেন কাটলেটটা খুব ভালো। বলে ও ওয়েটারকে ডেকে দুটি কাটলেট অর্ডার দেয়।এবার আপনার গল্প শুরু করুন আঙ্কেল।গল্প শুরু করেন অনিমেষ বাবু ...............ক্রমশঃলেখিকাঃ রাখি রায়আরও পড়ুনঃ রক্তের টান - প্রথম পর্বআরও পড়ুনঃ রক্তের টান - দ্বিতীয় পর্ব

আগস্ট ০৮, ২০২১
রাজ্য

Murder: পর পর কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়া গৃহবধূকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বামী

পর পর কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়া বধূকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল স্বামী। ধৃতের নাম বিশ্বজিৎ সরকার। তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার গন্ধর্বপুরে। মেমারি থানার পুলিশ মঙ্গলবার রাতে বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। পলাতক শ্বশুর বাড়ির বাকি সদস্যরা। পুলিশ বুধবার ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। খুনের ঘটনার পুনর্নির্মাণ ও পালাতক অভিযুক্তদের হদিশ পেতে তদন্তকারী অফিসার ধৃতকে ৭ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। সিজেএম ধৃতকে ৫ দিন পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ বধূকে ধর্ষণের পর সোনার গয়না ও টাকা হাতানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবকপুলিশ জানিয়েছে, কালনা থানার বেলকুলি গ্রামের বাসিন্দা শ্যামল কুমার ঘোষের মেয়ে শাশ্বতীর সঙ্গে ১৪ বছর আগে বিয়ে হয় বিশ্বজিৎ-এর। শাশ্বতী কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়ার পর থেকেই শ্বশুরবাড়িতে তাঁর উপর নির্যাতন শুরু হয়। দ্বিতীয় কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়ার পর থেকে বধূ শাশ্বতীর উপর অত্যাচার আরও বাড়ে। অত্যাচার বন্ধের জন্য গৃহবধূর বাপের বাড়ির লোকজন বেশ কয়েকবার আলোচনায় বসেছিলেন। কিন্থু অত্যাচার বন্ধ হয়নি। তারই মধ্যে মঙ্গলবার গভীর রাতে বিশ্বজিৎ শ্বশুরবাড়িতে ফোন করে তাঁর স্ত্রীর মৃত্যু সংবাদ দেয়। শ্বশুরবাড়ির লোকজন পাহাড়হাটি হাসপাতালে পৌছে শাশ্বতীকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। শাশ্বতীর কপালে গভীর ক্ষতচিহ্ন ও গলায় কালশিটে দাগ দেখে বাপের বাড়ির লোকজন অভিযোগ করেন শাশ্বতীকে খুন করা হয়েছে। বধূর বাবা মেমারি থানায় তাঁর জামাই সহ শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে শাশ্বতীকে পিটিয়ে মারার অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে বধূ নির্যাতন ও পরিকল্পনা মাফিক খুনের ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ গৃহবধূর স্বামীকে গ্রেপ্তার করে।

আগস্ট ০৪, ২০২১
নিবন্ধ

Blood Relation: রক্তের টান - দ্বিতীয় পর্ব

কিরে দিদিভাই কি ভাবছিস? কদিন ধরে দেখছি তুই কেমন অন্যমনস্ক! কি হয়েছে? তোদের গ্রূপের বন্ধুদের সঙ্গে কিছু হয়েছে?কিরে উত্তর দিচ্ছিস না কেন?হুঁ?কি হ্যাঁ হ্যুঁ করছিস?ও হ্যাঁ, বলো কি বলছো?আমি যে এতক্ষণ বকে যাচ্ছি তোর কানে কিছুই ঢোকেনি!?না মানে খেয়াল করিনি; বলো।বলছি তোর কি হয়েছে? কেমন চুপচাপ হয়ে গেছিস! আমার দিদিভাই তো এত চুপচাপ থাকার মেয়ে নয়।না গো তেমন কিছু হয়নি। একটা প্রশ্ন খুব ঘুরপাক খাচ্ছে মাথার মধ্যে।কি প্রশ্ন? আমাকে বলা যাবে?আচ্ছা দিয়া তুমি সৌরীশ সেন নামে কাউকে চেনো?কী!! সৌ-- রীশ সেন? সে --সে আবার কে? আমি চিনব কি করে?না না তুমি চেনো বলিনি। জিজ্ঞাসা করছি চেনো কিনা?না না আমি ঐ নামে কাউকে চিনি না। একটু যেন উত্তেজিত হয়ে পড়লেন মাধুরীদেবী।আরে বাবা ওরকম করছো কেন! উনিইতো স্যার যাকে হসপিটালে ভর্তি করেছিলাম।তাকে আমি চিনব কি করে?না মানে মা ও তো এখানেই পড়ে ছিল। ওনার বয়স মায়ের কাছাকাছি হবে আর উনি ওখানেই পড়ে ছিলেন। তাই জিজ্ঞাসা করলাম।না না আমি চিনব কেমন করে?মেহুল বুঝতে পারলো মাধুরীদেবী র কাছে কোনও সদুত্তর পাওয়া যাবে না। উঠে পড়ল খাবার টেবিল থেকে।মনে আবার একটা খটকা -------- দিয়া এতটা রিয়্যাক্ট করলো কেন?নামটা শুনে যেন একটু চমকেই উঠলো মনে হলো। কিন্তু কেন?মেহুল কলেজে চলে গেল। মাধুরীদেবী মনে মনে মেহুলের বলা কথা গুলো ভাবতে লাগলেন। আরও ভাবলেন মধু এসব শুনলে মেয়েটার পড়া বন্ধ করে নিয়ে না চলে যায় এখান থেকে। ভাবলেন মেহুল যদি ওর মাকে এই কথাগুলো বলে তাহলে আর রক্ষা থাকবে না। মনে মনে বললেন ----- কি যে করি? আমার হয়েছে যত জ্বালা। সারা জীবন বাপ বেটি জ্বালালো এখন নাতনীও সামিল হয়েছে।এদিকে মেহুল কলেজে দুটি ক্লাস করার পর আর ভালো লাগলো না ও রিমা আর সৈকতকে বললো যাবি স্যারকে দেখতে?ওরা ক্লাস আছে বলে গেল না।কিন্তু মেহুল কলেজে আর থাকতে পারল না।রোজ একবার এস. এস. এর বাড়ি না গেলে ওর মন ভালো লাগে না। অদ্ভুত একটা টান অনুভব করে ও। মনে যে ফাঁকা জায়গাটা আছে, যে কষ্টটা আছে সেটা ভুলে যায় ওনার কাছে গেলে।ওদিকে সৌরীশবাবুও অধীর হয়ে মেহুলের পথ চেয়ে থাকেন। ওনার মধ্যে যেন পিতৃ সত্ত্বা জাগৃত হয়েছে মেহুল কে পেয়ে।এইভাবে বেশ কিছু দিন কাটল। কিন্তু মেহুল ওর প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়ার পথ বের করতে পারছে না। ওর শেষ পর্যন্ত মনে এল অনিমেষ বাবুর কথা।ক্রমশঃলেখিকাঃ রাখি রায়আরও পড়ুনঃ রক্তের টান - প্রথম পর্ব

আগস্ট ০১, ২০২১
নিবন্ধ

Mother's Day: মাতৃ দিবস ও রবীন্দ্রনাথ

ছেলেটা বাড়ি নেই একবছরের বেশি হয়ে গেছে, কবে ফিরবে কি জানি! মা-কে ফোন করার সময় হয় না। হলেও একটু কথা বলেই ছেড়ে দেয়। বৌকে নিশ্চয়ই সব বলে। আর মেয়েটাও হয়েছে সেরকম, বাপের বাড়ি আসতেই চায় না। এইসব বসে বসে ভাবছিলেন মাধুরী। আর আমার বৌমাকে দেখ প্রত্যেক সপ্তাহে মা বাবার কাছে যাওয়া চাই। বিয়েটা ছেলে নিজের পছন্দ মত করেছে। কিন্তু ছেলে হাত ছাড়া হয়ে যাবে বলে বিয়েটা মেনে নিতে হয়েছে মাধুরীকে। কিন্তু বৌকে খুব একটা পছন্দ করেন না। মাঝে মাঝে ভাবেন কোথায় নিজের পছন্দের মেয়ের সাথে বিয়ে দেব, ঘরকন্নার কাজ শেখাবেন নিজের হাতে তা নয় ; বাবু যে কি দেখে এই মেয়েকে বিয়ে করলো কি জানি বাপু? না আছে কোনো রূপ আর গুণ কি আছে কি জানি! এই সব সাত পাঁচ ভাবতে ভাবতে মেয়েকে ফোন করলেন----- হ্যালো, মান্তু?হ্যাঁ মা বলো কি বলবে তাড়াতাড়ি বলো। আমি এখন খুব ব্যস্ত। আজ Mothers Day তাই তোমার নাতনী আমাকে নিয়ে কোথায় যেন যাবে। বলো তাড়াতাড়ি বলে ফেলো। ও তাহলে থাক পরে কথা বলবো। বলে মনটা খারাপ করে ফোনটা কেটে দিল। ভাবলেন হায়রে, আজ মাতৃ দিবস তাই তোর মেয়ে তোকে নিয়ে কোথাও যাবে আর আমি যে তোর মা সেটা ভুলে গেলি। এমন সময় ফোন বেজে উঠলহ্যালো মাধুরীদেবী বলছেন? হ্যাঁ, কে বলছেন? আপনার একটা parcel আছে। একটু দরজার সামনে আসবেন Please? ফোন রেখে মাধুরী ভাবতে লাগলেন কে আবার আমার জন্য কী পাঠালো! মনে হয় আমার বাবু সারপ্রাইজ গিফ্ট পাঠিয়েছে, নাহলে মান্তু মনে হয়। তাই আমার সঙ্গে এখন কথা বললো না। এই ভাবতে ভাবতে গেটের কাছে গিয়ে দেখেন একটি অল্প বয়সী ছেলে হাতে একটা ফুলের তোড়া আর একটা প্যাকেট নিয়ে দাঁড়িয়ে। হ্যাপি মাদারস্ ডে মাসীমা বলে ছেলেটি এগিয়ে দিল জিনিসগুলো মাধুরীর দিকে। ছেলেটির থেকে হাসি মুখে জিনিসগুলে নিয়ে বাড়ির ভিতরে ঢুকে পড়েন। মনে কৌতূহল কে পাঠিয়েছে--- ছেলে না মেয়ে? ফুলের সঙ্গে একটা চিঠি, উপরে লেখা আগে প্যাকেট খোলো। মাধুরী আস্তে আস্তে প্যাকেট খুললেন। একটা পিওর সিল্ক, ওনার ভীষণ পছন্দের। সুন্দর একটা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবি আর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার বই। এবার চিঠি খুলে পড়তে লাগলেন--মা, জানি ভাবছো কে পাঠালো তোমাকে উপহার? ভেবেছিলে তো তোমার মেয়ে মান্তু কিংবা তোমার বাবু। আমার কথা তোমার মনে আসবে না আমি জানি। কারণ আমাকে তুমি আজও মেনে নিতে পারোনি। কিন্তু আমার কাছে তুমি আমারও মা। আজ মাতৃ দিবস। আজ তুমি মনখারাপ করে বসে থাকলে আমার যে ভালো লাগবে না মা। আমি বেরোবার সময় দেখলাম তোমার মনটা কোনও কারণে আজ ভালো নেই। মন খারাপ কেন মা গো? আমি আছি তোমার সাথে সবসময়। আমি জানি তোমার পছন্দ। দেখতো ঠিক জেনেছি কিনা? আর শোনো অনেক সবার জন্য ভেবেছো এবার শুধু নিজের জন্য ভাববে। আবার আবৃত্তি শুরু করতে হবে।শোনো বিকেলে এই শাড়িটা পড়ে তৈরি থেকো এক জায়গায় যাবো। এবার তো একটু হাসো আমার মিষ্টি মা। তোমার মেয়েপিয়াসীচিঠি পড়তে পড়তে চোখ জলে ভরে গেছে মাধুরীর। যার কথা কোনও দিন মনে ঠাঁই পায়নি আজ সে এতকিছুর কথা ভেবেছে তার জন্য অথচ নিজের পেটের সন্তানরা মায়ের কথা ভুলেই গেছে। মেয়েটা কথাই বললো না! আজ জীবনে প্রথমবার মাতৃ দিবসে কেউ এভাবে আমার কথা ভাবলো রে মা; আজ রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিনে তুই আবার আমার প্রাণের ঠাকুরকে ফিরিয়ে দিলি। তুই তো আমার সত্যিকারের মেয়ে। আজ আমার মাতৃ দিবস আর রবীন্দ্র জয়ন্তী সার্থক করলি। ফোন করে পিয়াসীকে বললেন মাধুরী। পিয়াসীর চোখেও জল। আজ সে পেরেছে।

জুলাই ১১, ২০২১
নিবন্ধ

A New Beginning: নতুন প্রভাত

রাখী রায়আকাশের হাজার তারার মাঝে জানি না কোথায় তুমি মা?? আজ মা-কে খুব মনে পড়ছে, কথা বলতে ইচ্ছা করছে মায়ের সঙ্গে----তাই পায়ে পায়ে টেবিলে রাখা মায়ের ছবির সামনে এসে বসল সংকল্প---আচ্ছা মা আমার সঙ্গে কেন এমন হয় বলতে পারো? বাবার অবহেলা তোমাকে যখন একটু একটু করে হতাশার গিরিখাতে ঠেলে দিচ্ছিল তখন তো আমি কত ছোট ছিলাম, তবুও চেষ্টা করতাম তোমাকে ভালো রাখার। কিন্তু না আমি পারিনি তোমাকে রক্ষা করতে।। আমাকে এই বিশাল পৃথিবীর বুকে একা রেখে তুমি অজানার জগতে হারিয়ে গেলে। দাশুদা আর উমা পিসি না থাকলে আমার যে কি হত কে জানে! তুমি অ্যাসাইলাম থেকে আর ফিরে এলে না। এলে তো স্বর্গরথে চেপে। আমি সব ভুলে পড়াশোনায় ডুবে গেলাম। শপথ করলাম হতাশায় মানুষকে হারিয়ে যেতে দেব না। না বাবা আমার অর্থনৈতিক কষ্ট রাখেনি। কিন্তু পিতৃ স্নেহ কী জানতে পারিনি। আবার দেখো কলেজ জীবনের প্রথম প্রেম চেতনাকে হারালাম ওর বাবার অহংকার আর একগুঁয়েমির কাছে। সেদিন চেতনাও বিদেশে যাওয়ার লোভটা সামলাতে পারেনি। আমার ভালোবাসাকে উপেক্ষা করে চলে গেল। আজ যখন আমি নিজেকে নিজের মত করে বুঝিয়ে কাজে ডুবতে চাইছি হঠাৎ আবার বিড়ম্বনা। কেন বলতে পারো বারবার আমার সঙ্গে এমন হয়? কেন রে কী হয়েছে সোনা? মা তুমি এসেছ?হ্যাঁ রে এসেছি আমি। এতদিন কেন আসোনি মা? তুইতো এমনি করে আমাকে ডাকিসনি বাবুকি হয়েছে তোর? এত অস্থির কেন তুই? আজ চেম্বারে বসে আছি, তখন আর পেশেন্ট নেই ----আচ্ছা মা তুমি জানো আমি কি কাজ করি? হ্যাঁ রে হ্যাঁ সব জানি। আমাকে ওইভাবে হারিয়ে তুই মানুষের মনের ক্ষতগুলো সাড়াবার শপথ নিয়েছিস। একদম ঠিক বলেছেন মা। মানুষের মনের চোরাকুঠুরিতে অনেক এমন কথা থাকে যা মানুষ কাউকে বলতেও পারে না আবার সহ্য করতেওপারে না, তখন হতাশা গ্রাস করে। আমার কাজ সেইসব না বলা কথা মনে গভীর থেকে টেনে বের করে নিয়ে আসা।একজন হতাশাগ্রস্ত মানুষ যখন আবার স্বাভাবিক হয়ে যায় তখন খুব ভালো লাগে মা।এভাবেই তুই এগিয়ে যা বাবা। মানুষের পাশে যেন থাকিস বাবা। এখন বল দেখি তোর কী হয়েছে?হ্যাঁ বলি--- আজ যখন প্রায় চেম্বার খালি আমি একটু রেস্ট করছি তখন হঠাৎ একজন তার মেয়েকে নিয়ে হাজির হয়। প্রথমে একটু বিরক্ত হলেও ভেতরে আসতে বলি। আমি তো অবাক ভদ্রলোককে দেখে। কেন? কে ছিল? চেতনাকে নিয়ে ওর বাবা। আমি যাকে ভালোবেসে ছিলাম সেই চেতনা। প্রানবন্ত, উচ্ছ্বল মেয়ে। রবীন্দ্র সঙ্গীত যার প্রান। সেই চেতনা আজ চুপচাপ হতাশায় ডুবে গেছে। ওর বাবা আজ আমার কাছে ক্ষমা চাইছে। কিন্তু মা আমার মনে তো কোনো ক্ষোভ নেই। আজ আমি বুঝতে পারছি না কি করব? আজকের চেতনার সঙ্গে কলেজের চেতনার কোন মিল নেই। প্রানবন্ত মেয়েটি, আজ নিষ্প্রাণ হয়ে গেছে। যার রূপ ছিল জীবনানন্দ দাশের বনলতা সেন তার চেহারা আজ শীর্ণকায়। আজ ওকে দেখে আমার একটা কথাই বারবার মনে হচ্ছে যে বাবা মায়েরা মেয়েদের বিয়ে ছাড়া আর কিছু কেন ভাবতে পারে না কি জানি? চেতনার বাবার অহংকার মেয়েটার সর্বনাশ করে দিল। বনেদি বাড়ির মেয়ে বলে সেরকম বন্ধু ছিল না। আমাদের কথা জানতে পেরে খুব তাড়াতাড়ি ওর বিয়ে দিয়ে দেয়। আমি তখন পর্যন্ত নিজের পসার জমাতে পারিনি। আর চেতনা বোধহয় বিদেশে থাকার লোভ সামলাতে পারেনি। যদিও ভালোবাসার কথা আমি ওকে কোনো দিন মুখে বলিনি জানো মা। ও আমার চোখে কি দেখেছিল জানি না। ও কার্ড দিয়ে চলে গেছিল আর যোগাযোগ হয়নি। আজ ওর বাবার কাছে যা শুনলাম তা খুব বেদনা দায়ক। বিয়ের পর ও বরের সঙ্গে নিউজিল্যান্ড চলে যায়। সেখানে প্রথম কয়েক মাস বেশ ছিল। তারপর শুরু হয় ওর বরের অবহেলা, মানসিক অত্যাচার। যে গান ছিল ওর প্রান সে গান বন্ধ করে দেয়। প্রথম দিকে বছরে একবার করে আসত দেশে। কিন্তু কাউকে কিছু বলতে পারেনি। ওকে একা কোথাও থাকতে দিত না। না বাপের বাড়ি না শ্বশুর বাড়ি। নিজের আলাদা ফ্ল্যাট ছিল সেইখানে থাকত। চেতনাকে ঘরে রেখে সারাদিন নিজের বন্ধু বান্ধবীদের সাথে ঘুরে বেড়াত। ছোটবোনকে একটু একটু বলেছিল। কিন্তু ওর মা বাবা গুরুত্ব দিয়ে দেখেনি। আর শ্বশুর বাড়ির লোকজন ওকেই খারাপ ভাবত। এইভাবে মেয়েটার মনটা শেষ করে দেয়। ওর বাবা বললেন, ও একটা বাচ্চা চেয়েছিল তখন শুরু করে শারীরিক অত্যাচার। কোনো রকমে বোনকে একটু জানাতে পেরেছিল। এরপর ও যখন অসুস্থ হয়ে যায় তখন ওর বর ওর বাবাকে ফোন করে নিয়ে আসতে বলে। কয়েক মাস আগে ওর বাবা ওকে নিয়ে আসে। কিন্তু ততদিনে যা ক্ষতি হওয়ার হয়ে গেছে। আমাদের এক বন্ধুর কাছ থেকে আমার ঠিকানা নিয়ে আমার কাছে এসেছে। মা আমি পারবো তো চেতনার পুরোনো সব খুশি, আনন্দ ফিরিয়ে দিতে? তোকে যে পারতেই হবে বাবা, নাহলে যে ভালোবাসা হেরে যাবে। তোর স্নেহ দিয়ে ভালোবাসা দিয়ে নতুন বছরে তুই চেতনার নতুন জীবন দিবি। ওর বাবার কাছ থেকে ওকে চেয়ে নিবি। সারা জীবন ওকে ভালো রাখার অঙ্গীকার করবি নতুন বছরের নতুন প্রভাতে। ঠিক আছে মা। তুমি আমার সঙ্গে থাকলে আমি সব পারব। তুমি থাকবে তো মা? ও খোকা বাবু তুমি এখানেই ঘুমিয়ে পড়েছ? ওঠো অনেক বেলা হয়ে গেছে। কাজ-কম্ম নেই? কারা এয়েছে দেখো! নববর্ষের নতুন সকাল নতুন ভাবে শুরু হলো সংকল্পের।

জুলাই ০২, ২০২১
দেশ

Terrorists attack: পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলায় শহিদ সপরিবার পুলিশ আধিকারিক

জম্মু বিমানবন্দরের এয়ারফোর্স স্টেশনে ড্রোন হামলার পর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই বড়সড় বিপত্তি। জঙ্গিদের গুলিতে জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় শহিদ স্পেশ্যাল পুলিশ অফিসার (Special Police Officer)। প্রাণ গেল তাঁর স্ত্রী এবং মেয়েরও। ওই আধিকারিকের বাড়িতে ঢুকে জঙ্গিরা এলোপাথাড়ি গুলি চালায় বলে জানা গিয়েছে। তাতেই মৃত্যু হয় তিনজনের। আরও পড়ুনঃ রাজেশ বিন্দলের অপসারণের চেয়ে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি রাজ্য বার কাউন্সিলের কাশ্মীর জোনের পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ফৈয়জ আহমেদ নামে ওই পুলিশ আধিকারিক পুলওয়ামায় (Pulwama) কর্মরত। স্ত্রী রাজা বেগম এবং ২৩ বছর বয়সি মেয়ে রাফিয়াকে নিয়েই সংসার ছিল তাঁর। রবিবার রাতে অবন্তীপোরার হরিপারিগ্রামের বাড়িতেই ছিলেন তিনি। আচমকাই জঙ্গিরা বাড়িতে ঢুকে পড়ে। কিছু বুঝে ওঠার আগে চলতে শুরু করে এলোপাথাড়ি গুলি। গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান পুলিশ আধিকারিক। তাঁর স্ত্রী এবং মেয়েকে রাতেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ আধিকারিকের স্ত্রীকে মৃত বলে জানান চিকিৎসক। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছিলেন পুলিশ আধিকারিকের মেয়ে। সোমবার সকালে শেষ হয় তাঁর জীবনযুদ্ধ। চিকিৎসকরা জানান, শত চেষ্টাতেও কোনও লাভ হয়নি। প্রাণ গিয়েছে তাঁর। এই ঘটনার পর থেকে এলাকা ঘিরে রাখা হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। চলছে জঙ্গিদের খোঁজে চিরুনি তল্লাশি। কোনও জঙ্গি (Terrorist) সংগঠন এখনও পর্যন্ত এই ঘটনার দায় স্বীকার করেনিআরও পড়ুনঃ মুকুল রায় তো বিজেপি পার্টির মেম্বার, বললেন মমতাএর আগে শনিবার রাতে জম্মু বিমানবন্দরের এয়ারফোর্স স্টেশনে বিস্ফোরণ হয়। জখম হন ২জন। পরে জানা যায় চিনা ড্রোন দিয়ে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। এই প্রথমবার, ভারতীয় সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালাতে ব্যবহৃত হল ড্রোন (Drone Strike)। এতদিন সীমান্ত পার করে অস্ত্র পাচারে ব্যবহার হত এই যন্ত্র। এবার সরাসরি বিস্ফোরক ছুঁড়ে বিস্ফোরণ ঘটাতেও ব্যবহৃত হল এই ছোট্ট যন্ত্রটি। জঙ্গিদের বড় কোনও নাশকতার ছক ছিল বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের তৎপরতায় সেই ছক বানচাল হয়ে গিয়েছে। আর রাতে স্পেশ্যাল পুলিশ অফিসারের বাড়িতে ঢুকে জঙ্গি হামলার ঘটনা স্বাভাবিকভাবেই উপত্যকার নিরাপত্তা নিয়ে ফের একবার উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

জুন ২৮, ২০২১
কলকাতা

রবিনসনকাণ্ডের ছায়া এবার ট্যাংরায়

রবিনসন কাণ্ডের ছায়া এবার ট্যাংরায়। তিনদিন ধরে মায়ের মৃতদেহ আগলে বসে রইলেন মানসিক ভারসাম্যহীন তরুণী। শেষমেশ রবিবার পুলিশ এসে মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার করে। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতার নাম কৃষ্ণা দাস। তাঁরা তিন মেয়ে। দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। তবে আরেক মেয়ে সোমা দাস থাকতেন মায়ের সঙ্গেই। কৃষ্ণা দাসের স্বামী রেলকর্মী ধীরেন দাসও বাড়ি প্রায় আসেন না বললেই চলে। স্থানীয়দের দাবি, ট্যাংরার শীল লেনের ওই বাড়িতে মায়ের সঙ্গে শুধু সোমাকেই দেখা যেত। মানসিক ভারসাম্যহীন সোমা কাউকেই বাড়িতে ঢুকতে দিতেন না। বাইরের কোনও ব্যক্তিকে দেখলেই চিৎকার করতেন। জিনিসপত্র, বাসন ইত্যাদি ছুঁড়ে মারতেন। তাই তাঁদের বাড়িতে খুব একটা যাতায়াত ছিল না কারওরই। ফলে কৃ্ষ্ণা দাসের মারা যাওয়ার বিষয়টি অজানাই ছিল এলাকার বাসিন্দাদের কাছে। মেয়েও এনিয়ে কোনও উচ্চবাচ্য করেননি।কিন্তু এদিন সকালে শীল লেনের ওই বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বেরতে শুরু করে। আর তাতেই সন্দেহ হয় প্রতিবেশীদের। তাঁরাই পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে ঘরের ভিতর থেকে কৃষ্ণা দাসের মৃতদেহ উদ্ধার করে। সেই সময় মায়ের পচন ধরা দেহের পাশেই বসেছিলেন সোমা দাস। জানা যায়, তিনদিন আগেই মায়ের মৃত্যু হয়েছিল। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, ময়নাতদন্তের পরই তা পরিষ্কার হবে। কৃষ্ণা দাসের পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গেও যোগাযোগ করার চেষ্টা করছে পুলিশ।

জুন ২৭, ২০২১
বিদেশ

সাত বছরের জেল গান্ধিজির প্রপৌত্রীর

প্রাথমিক ভাবে আটক করা হয়েছিল গান্ধিজির প্রপৌত্রী আশিস লতা রামগোবিনকে। পরে তাঁকে সাত বছরের জেলের সাজা দেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে তাঁর বিরুদ্ধে ৬.২ মিলিয়ন বা ভারতীয় মুদ্রায় ৩.২২ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানের একটি আদালত তাঁর এই আজা ঘোষণা করেছে।এসআর মহারাজ নামে এক ব্যবসায়ী তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনেছেন। ২০১৫ সালে ঘটে ওই ঘটনা। জানা গিয়েছে, কিছু কাগজপত্র দেখিয়ে ওই টাকা নেন রামগোবিন। কিন্তু সে সব কাগজপত্র আসলে ছিল ভুয়ো। অভিযোগ, এই ব্যবসায়ীর সঙ্গে আলাপের পর রামগোবিন তাঁকে জানিয়েছিলেন যে তিনি খুবই আর্থিক সংকটে ভুগছেন। এদিকে, ভারত থেকে তাঁর অর্ডার করা তিনটি কন্টেনার ভর্তি লিনেন কাপড় বন্দরে আটকে রয়েছে। সেগুলি ছাড়িয়ে আনতে প্রচুর টাকা আমদানি শুল্ক দিতে হবে। মহারাজের কাছে সেই টাকা সাহায্য হিসেবে চান রামগোবিন।রামগোবিন বলেছিলেন, মহারাজ পরবর্তীকালে ব্যবসার লাভের অংশ পাবেন। এরপর কিছু ভুয়ো কাগজপত্রও ওই ব্যবসায়ীকে প্রমাণস্বরূপ পাঠান গান্ধিজির প্রপৌত্রী। এরপর ওই টাকাটি রামগোবিনকে পাঠিয়ে দেন মহারাজ। কিন্তু পরে বুঝতে পারেন, সমস্ত কাগজপত্রই ভুয়ো। এরপরই আদালতের দ্বারস্থ হন ওই ব্যবসায়ী।

জুন ০৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

বাংলাদেশে নতুন সমীকরণ, নির্বাচনের পরই খুলছে আওয়ামী লীগের কার্যালয়

বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর বিভিন্ন জায়গায় আবার খুলতে শুরু করেছে আওয়ামী লীগ এর দলীয় কার্যালয়। ঢাকা সহ একাধিক জেলা ও উপজেলায় বন্ধ অফিস খুলে প্রবেশ করছেন নেতা কর্মীরা। ফলে প্রশ্ন উঠছে, দীর্ঘ সময় পর কি আবার সক্রিয় হতে চলেছে দলটি এবং রাজনীতিতে নতুন করে ভূমিকা নিতে পারে কি না।নির্বাচনের পর তারেক রহমান এর নেতৃত্বে সরকার গঠন অনেককে চমকে দিয়েছে। এর মধ্যেই আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলা এবং কর্মীদের তৎপরতা নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। অনেকেই জানতে চাইছেন, কর্মীরা কি ব্যক্তিগত উদ্যোগে অফিস খুলছেন, নাকি দলের নির্দেশে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বিরোধী শিবিরের সঙ্গে কোনও বোঝাপড়া রয়েছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।২০২৪ সালের অগস্টে গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর মহম্মদ ইউনূস এর নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হলে ২০২৫ সালের মে মাসে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যকলাপ নিষিদ্ধ করা হয়। সেই কারণে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি দলটি। এই সময় বহু দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। ধানমন্ডির বত্রিশ নম্বরে শেখ মুজিবর রহমান এর ঐতিহাসিক বাড়িতেও হামলার অভিযোগ ওঠে।তবে নির্বাচন শেষ হতেই আওয়ামী লীগের কর্মীরা বিভিন্ন এলাকায় কার্যালয় খুলে সেখানে অবস্থান নিতে শুরু করেছেন। কোথাও কোথাও আবার পাল্টা দখল ও হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকা দলটি হঠাৎ সক্রিয় হয়ে ওঠায় রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে।আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম জানিয়েছেন, দলের কার্যালয় বাজেয়াপ্ত করা হয়নি এবং নেতা কর্মীদের সেখানে যাতায়াতে কোনও বাধা নেই। তাঁর দাবি, অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায়ের পর দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে এই আশাতেই তৃণমূলের কর্মীরা কার্যালয়ে ফিরছেন।দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বিদেশে অবস্থান করেও শেখ হাসিনা বিভিন্ন মাধ্যমে দলের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং তাঁদের কার্যালয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। এছাড়া কয়েকটি জেলার নেতা কর্মীদের দাবি, নির্বাচনের আগে স্থানীয়ভাবে সমর্থন পাওয়ার আশায় বিরোধী শিবিরের কিছু নেতা আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন এবং নির্বাচনের পর কার্যালয় খোলার আশ্বাস দিয়েছিলেন।নির্বাচনের পরদিনই পঞ্চগড়ে একটি কার্যালয়ের তালা খোলার দৃশ্য প্রকাশ্যে আসে এবং তা ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়। গত এক সপ্তাহে চাঁদপুর, ঠাকুরগাঁও, সাতক্ষীরা, বরগুনা, পটুয়াখালী ও খুলনা সহ একাধিক জায়গায় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের কার্যালয়ে সক্রিয় হতে দেখা গিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
রাজ্য

দলবদলের তকমা কি মুছবে, দীপেন্দুর প্রত্যাবর্তনে প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে

খেলার মাঠ থেকে রাজনীতির ময়দান, দলবদলের বিতর্ক যেন পিছু ছাড়ছে না প্রাক্তন ফুটবলার ও রাজনীতিক দীপেন্দু বিশ্বাসকে। ভোটের আগে আবার তৃণমূল কংগ্রেস এ ফিরলেন বসিরহাট দক্ষিণের প্রাক্তন এই বিধায়ক। একসময় জাতীয় দলের ফুটবলার হিসেবে পরিচিত দীপেন্দু কলকাতার বড় ক্লাবগুলিতেও খেলেছেন। তিনি ইস্টবেঙ্গল ক্লাব, মোহনবাগান এবং মহামেডান স্পোর্টিং এর জার্সিতে দীর্ঘদিন খেলেছেন এবং নব্বইয়ের দশকে ফুটবল মহলে পরিচিত মুখ ছিলেন।রাজনীতিতে প্রবেশের পরও দলবদলের অভিযোগ তাঁকে ঘিরে থেকেছে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে ভারতীয় জনতা পার্টি তে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। তবে ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে আবার পুরনো দলে ফিরে এলেন। রবিবার বসিরহাটে জেলা তৃণমূল কার্যালয়ে স্থানীয় নেতৃত্বের উপস্থিতিতে পুনরায় দলে যোগ দেন তিনি।দলে ফিরে দীপেন্দু বিশ্বাস জানান, অভিমান থেকেই তিনি দল ছেড়েছিলেন। তাঁর দাবি, বিজেপির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী ছিল না এবং কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচিতেই তাঁকে দেখা যায়নি। তিনি বলেন, দল যে দায়িত্ব দেবে সেটাই পালন করবেন এবং টিকিট নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি।একই দিনে বসিরহাট এক নম্বর ব্লকের কংগ্রেস সভাপতি আব্দুল কাদের সরদার সহ বিভিন্ন দল থেকে বহু কর্মী সমর্থক তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। ফলে এলাকায় রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।২০১৪ সালের উপনির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে বসিরহাট দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও অল্প ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিলেন দীপেন্দু। সেই নির্বাচনে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন শমীক ভট্টাচার্য। পরে ২০১৬ সালে একই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে বিধায়ক হন তিনি। তবে ২০২১ সালে দল টিকিট না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে দলত্যাগ করেন।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্বাচনের আগে দলবদলের প্রবণতা নতুন নয়। ইতিমধ্যেই একাধিক নেতা পুরনো দলে ফিরতে শুরু করেছেন। সম্প্রতি অভিনেত্রী পার্ণো মিত্র এবং শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়কেও তৃণমূলের কর্মসূচিতে দেখা গিয়েছে। ফলে ভোটের আগে দলবদলের রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হচ্ছে। বিরোধীদের দাবি, ঘন ঘন দল পরিবর্তন রাজনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং এতে ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
দেশ

কাশ্মীরে তুমুল গুলির লড়াই, যৌথ বাহিনীর অভিযানে খতম দুই জঙ্গি

রবিবার জম্মু ও কাশ্মীরের পাহাড়ি এলাকায় বড়সড় সন্ত্রাস দমন অভিযান চালাল যৌথ বাহিনী। কিস্তওয়ার জেলার ছাতরু অঞ্চলে জঙ্গিদের উপস্থিতির খবর পেয়ে সেনা, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফ যৌথভাবে অভিযান শুরু করে। এখনও এলাকায় তল্লাশি ও নিরাপত্তা অভিযান চালানো হচ্ছে।গোয়েন্দা সূত্রে খবর ছিল, পার্বত্য এলাকার একটি মাটির বাড়ির ভিতরে জঙ্গিরা লুকিয়ে রয়েছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই যৌথ বাহিনী এলাকায় পৌঁছলে আড়াল থেকে গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। পাল্টা জবাব দেয় নিরাপত্তা বাহিনী। দীর্ঘক্ষণ গুলির লড়াইয়ের পর দুই জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।অভিযানে নিহত জঙ্গিদের কাছ থেকে একে সাতচল্লিশ রাইফেল সহ একাধিক আধুনিক অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, নিহতদের মধ্যে একজন জইশ ই মহম্মদ এর শীর্ষ কমান্ডার। তার পরিচয় যাচাইয়ের কাজ চলছে।নিরাপত্তা বাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, দেশের শান্তি ও নিরাপত্তা নষ্ট করার চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, গত এক মাসে ছাতরু জঙ্গলে একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে এবং নিরাপত্তা বাহিনী নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
রাজ্য

চোর সন্দেহে গণপ্রহার, দশ দিনের লড়াই শেষে প্রাণ গেল যুব ইঞ্জিনিয়ারের

নাইট ডিউটিতে যাওয়ার পথে গণপ্রহারের শিকার হয়ে প্রাণ হারালেন এক যুব ইঞ্জিনিয়ার। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশিয়াড়ী ব্লকের খাজরা গ্রাম পঞ্চায়েতের গিলাগেড়িয়া এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। মৃতের নাম সৌম্যদীপ চন্দ, বয়স তেত্রিশ। তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়াতেই পরিবার ও গ্রামজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত আট ফেব্রুয়ারি রাতে খড়গপুরে কাজে যোগ দিতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন তিনি। অভিযোগ, খড়গপুর লোকাল থানার অন্তর্গত আনারকলি এলাকায় একদল মানুষ তাঁকে চোর সন্দেহে আটকায় এবং বেধড়ক মারধর করে। পরিবারের দাবি, তিনি নিজের পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করলেও তা শোনা হয়নি এবং মাথায় গুরুতর আঘাত করা হয়।গুরুতর জখম অবস্থায় প্রথমে তাঁকে খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত হাইটেক হাসপাতাল ভুবনেশ্বর এ স্থানান্তর করা হয়। সেখানে প্রায় দশ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর শুক্রবার রাত দশটা চৌত্রিশ মিনিটে তাঁর মৃত্যু হয়। শনিবার রাতে তাঁর দেহ গ্রামে পৌঁছালে কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা।সৌম্যদীপের কাকা হরেকৃষ্ণ চন্দ জানান, হাসপাতালে গিয়ে তাঁর অবস্থা দেখে তাঁরা ভেঙে পড়েছিলেন। পরিবারের দাবি, এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক। ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিও উঠেছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
রাজ্য

রাতের অন্ধকারে গোপন বৈঠক, তৃণমূল বিজেপি যোগাযোগে বিস্ফোরক দাবি

রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্কের ঝড় তুললেন মৌসম বেনজির নূর। কংগ্রেসে ফিরে তিনি দাবি করেছেন, রাতের অন্ধকারে তৃণমূল কংগ্রেস এর কিছু নেতা গোপনে ভারতীয় জনতা পার্টি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে বোঝাপড়া রয়েছে এবং তিনি দলে থাকাকালীন টাকার লেনদেন ও ক্ষমতার রাজনীতির জন্য এমন যোগাযোগের ঘটনা দেখেছেন।একই দিনে প্রায় একই অভিযোগ তুলেছেন বিজেপির রাজ্য নেতা ও উত্তর মালদহের সাংসদ খগেন মুর্মু। তাঁর দাবি, মালদহের এক তৃণমূল বিধায়ক, জেলার দুই সহ সভাপতি, তিন সাধারণ সম্পাদক এবং আরও কয়েকজন নেতা বিজেপির সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রাখছেন। গোপন বৈঠকের কথাও জানিয়েছেন তিনি।খগেন মুর্মুর বক্তব্য, এই তালিকায় জেলা পরিষদ ও পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যরাও রয়েছেন। তাঁর আরও দাবি, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট নেতাদের নাম প্রকাশ করতে চাননি তিনি। তাঁর আশঙ্কা, নাম প্রকাশ পেলে সংশ্লিষ্ট নেতাদের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত বা সুযোগসন্ধানী নেতাদের বিজেপিতে জায়গা দেওয়া হবে না।অন্যদিকে মালদহ জেলা তৃণমূলের চেয়ারপার্সন চৈতালি সরকার এই অভিযোগ পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি। তাঁর বক্তব্য, দলে কিছু নেতা রয়েছেন যারা শুধু অর্থ ও ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করেন এবং তারাই অন্য দলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। নতুন জেলা কমিটি ঘোষণার পর থেকেই মালদহ জেলা তৃণমূলের অন্দরে অসন্তোষ ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বেড়েছে। বিভিন্ন পদ না পেয়ে অনেক নেতা ক্ষুব্ধ বলেও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহের মধ্যেই আবার অসুস্থ শরদ পওয়ার, চিন্তায় পরিবার ও সমর্থকরা

মহারাষ্ট্রের প্রবীণ রাজনীতিক শরদ পওয়ার আবার অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন। ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির শীর্ষ নেতা এবং রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে রবিবার দ্রুত পুণের রুবি হল ক্লিনিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। গত সপ্তাহেও একই হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছিল।শরদ পওয়ারের মেয়ে ও বারামতীর সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে জানিয়েছেন, সর্দি, কাশি ও গলার সংক্রমণে ভুগছেন তিনি। রবিবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নেন। বর্তমানে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে তাঁকে।এর আগেও একটানা কাশি ও শ্বাসকষ্টের সমস্যার কারণে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল প্রবীণ এই নেতাকে। চিকিৎসকদের পরীক্ষায় বুকে সংক্রমণের কথা ধরা পড়ে। কয়েক দিন চিকিৎসার পর তিনি বাড়ি ফিরেছিলেন এবং বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। পুণেতে নিজের বাড়িতে বিশ্রামে থাকলেও রবিবার আবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।সম্প্রতি ব্যক্তিগত জীবনে কঠিন সময়ের মধ্যেও রয়েছেন শরদ পওয়ার। পারিবারিক শোক ও শারীরিক অসুস্থতার জেরে তাঁর রাজনৈতিক কর্মসূচিও সীমিত রাখা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন দলের নেতা কর্মী ও সমর্থকেরা।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
কলকাতা

বড় নির্দেশ হাইকোর্টের, এসআইআর ঘিরে রাজ্যের সব বিচারকের ছুটি বাতিল

এসআইআর সংক্রান্ত কাজ এবার বিচার বিভাগের তদারকিতেই হবে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের সমস্ত বিচারকের ছুটি বাতিল করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অসুস্থতা ছাড়া কোনও বিচারক ছুটি নিতে পারবেন না। এসআইআর প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়ে বড় দায়িত্ব বিচার বিভাগের উপর দেওয়ার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আগে নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।এসআইআর-এর কাজ দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে নিম্ন আদালতের কাজ স্বাভাবিক রাখতে এই নির্দেশ জারি করা হয়েছে। হাইকোর্ট প্রত্যেক জেলায় জেলা বিচারক, জেলা শাসক ও পুলিশ সুপারকে নিয়ে কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি প্রায় আড়াইশো বিচারকের একটি তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে। কমিশনের তরফে প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় একজন করে বিচার বিভাগীয় আধিকারিক চাওয়া হয়েছিল এবং সেই তালিকা হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার ইতিমধ্যেই কমিশনের কাছে পাঠিয়েছেন।জানা গিয়েছে, মাদক ও পকসো সংক্রান্ত আদালতের প্রায় একশো বিচারক এবং অন্যান্য মামলার দেড়শো বিচারকের নাম এই তালিকায় রয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের বিষয়েও শীঘ্রই একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা। সেখানে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক, বিশেষ পর্যবেক্ষক, পুলিশের শীর্ষ আধিকারিক এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্ত বিশেষ পরিস্থিতিতে ব্যতিক্রমী নির্দেশের কথা উল্লেখ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, জেলা বিচারক বা অতিরিক্ত জেলা বিচারকদের বিচার বিভাগীয় আধিকারিক হিসেবে নিয়োগ করা যেতে পারে এবং তাঁদের কাজে কোনও বাধা বা অসম্মান বরদাস্ত করা হবে না। সব প্রশাসনিক স্তরকে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের কাজে সহযোগিতা করার নির্দেশও দেওয়া হয়।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
দেশ

ভারতে বড় হামলার ছক ভেস্তে দিল পুলিশ, দুই রাজ্য থেকে আট জঙ্গি সন্দেহভাজন গ্রেফতার

ভারতের বিরুদ্ধে বড়সড় সন্ত্রাসের ছক ভেস্তে দিল পুলিশ। পাকিস্তান ও বাংলাদেশের জঙ্গি যোগে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ু থেকে মোট আট সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই এবং বাংলাদেশের চরমপন্থী গোষ্ঠীর মদতে এই পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। বিদেশি হ্যান্ডলারদের নির্দেশেই ভারতে হামলার প্রস্তুতি চলছিল বলে পুলিশের অনুমান।দিল্লি পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মিজানুর রহমান, মহম্মদ শাবাদ, উমর, মহম্মদ লিটন, মহম্মদ শাহিদ ও মহম্মদ উজ্জ্বল নামে ছয় অভিযুক্তকে তামিলনাড়ুর তিরুপুর জেলার একটি পোশাক কারখানা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলা থেকে আরও দুজনকে ধরা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিক এবং তারা নকল পরিচয়পত্র তৈরি করে ভারতে বসবাস করছিল। তদন্তে জানা গেছে, বড় ধরনের সন্ত্রাসবাদী হামলার পরিকল্পনা চলছিল এবং বিদেশ থেকে তাদের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হচ্ছিল। ধৃতদের পরবর্তী জেরা ও তদন্তের জন্য দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল জানিয়েছে, জঙ্গি কার্যকলাপ সমর্থনকারী অনলাইন পোস্ট নজরে আসার পর থেকেই তদন্ত শুরু হয়। এরপর তামিলনাড়ু পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে যৌথ অভিযানে কারখানা থেকে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের কাছ থেকে আটটি মোবাইল ফোন ও ষোলোটি সিম কার্ড উদ্ধার হয়েছে। ডিজিটাল তথ্য খতিয়ে দেখে গোটা চক্রের যোগসূত্র খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।কয়েক দিন আগে দিল্লি মেট্রো নেটওয়ার্কের বিভিন্ন জায়গায় উসকানিমূলক পোস্টার দেখা যায়। কাশ্মীর ইস্যু ও দেশের নিরাপত্তা নিয়ে উত্তেজক বার্তা লেখা ছিল ওই পোস্টারগুলিতে। সেই তদন্তে নেমেই তামিলনাড়ুর যোগসূত্র সামনে আসে এবং ধৃতদের জেরা করে পশ্চিমবঙ্গ থেকে আরও দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal